• বক্তৃতা শিখবেন যেভাবে – ডেল কার্ণেগী

    প্রসঙ্গ কথাঃ

    অনেক বছর ধরে প্রতিপত্তি ও বন্ধু লাভের সঙ্গে ডেল কার্ণেগির নাম সমভাবে পরিচিত। নোবেল বহির্ভূত বইয়ের মধ্যে ডেল কার্নেগির লেখা প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ বইটি সব চাইতে বেশি বিক্রি হয়েছে এবং এই বইটি তাঁর আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিয়েছে, কিন্তু প্রতিপত্তি ও বন্ধুলাভ তার প্রথম বই নয়। ১৯২৬সালে ডেল কার্নেগী একটি বই লেখেন। বইটির নাম বক্তৃতা শিক্ষা। এটা পাবলিক স্পিকিং বা বক্তৃতা শেখার পাঠ্য বই এবং আজ পর্যন্ত সারা বিশ্বে বক্তৃতা শেখার ও জন সংযোগ বিষয়ে এটি স্বীকৃত পাঠ্য বই। এটি ওয়াই.এম.সি. এ.পাবলিক স্পিকিং ক্লাসেও পড়ানো হত। বিগত দশ বঝরে এই বইটির ৬০০০০০কপি বিক্রি হয়েছে এবং মোট বিক্রির সংখ্যা এক কোটি কপিরও বেশি। এটি ২০টিরও বেশি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে এবং হাজার হাজার কপি বিক্রি হয়েছে তবে সাধারণ পাঠকেরা এই বই সম্পর্কে ওয়াকেবহাল নন।

    ডেল কার্নেগী কোর্সের দর্শন আজ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এবং দশ লাখেরও বেশি লোক এই কোর্সে গ্রাজুয়েশন লাভ করেছে। এই কোর্সে জনগণকে অধিকতর সাহসী করে কোলে, তাদের সুখী সমৃদ্ধ জীবন গড়ে তুলতে সাহার্য করে।

    ডেল কার্নেগি কোর্সের ছাত্ররা এ বই থেকে যে উপকার পেয়েছিল নতুন পাঠকেরাও অনুরুপ উপকার পাবে আমার বিম্বাস।

    -ডরোথি কার্নেগি

     

     

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • প্রতিনিধি হবেন কিভাবে – ডেল কার্ণেগী

    ভূমিকাঃআমাদের জাতীয় জীবনে বয়স্ক শিক্ষা আন্দোলন বেশ জনপ্রিয়তা লাভ করেছে,আর এই কাজে সবচেয়ে সক্রিয় ব্যক্তি নিঃসন্দেহে ডেল কার্নেগি। কার্নেগিই বোধহয় আজকের দুনিয়ায় একমাত্র মানুষ যিনি সবচেয়ে বেশি বয়স্কদের লেখার আর বক্তৃতার সমালোচনা করেছেন। রিপ্লের ‘অবিশ্বাস্য নামের কার্টুনে প্রকাশ পেয়েছে কার্নেগী প্রায় দেড়লক্ষ বক্তৃতা সমালোচনা করেছেন। সংখ্যাটা শুনে যদি তেমন ধারণা না জন্মায় তাহলে বলি,এর অর্থ হলো কলম্বাস আমেরিকা আবিষ্কার করার পর যতদিন কেটেছে। তারপর থেকে প্রতিদিন একটি করে বক্তৃতা। ডেল কার্নেগির জীবন সত্যিই বিচিত্র-মানুষ কোমো মৌলিক ধারণা পোষণ করলে আর তার আগ্রহ থাকলে কি করা সম্ভব এ জীবন তারই জ্বলন্ত উদাহরণ। মিসৌরীর এক খামারে,রেললাইন থেকে দশ মাইল দূরে জন্মামোর পর তিনি বারো বছর বয়সের আগে কোন গাড়ি দেখেন নি। অথচ প্রৌঢ়ত্বের সীমায় পৌঁছমোর পর পৃথিবীর সর্বত্রই তার পরিচিতি। এই মানুষটি প্রথম জীবনে প্রায় আধ ডজন বার জনগণের সামনে কথা বলতে গিয়ে ব্যর্থ হন,অথচ তিনিই হন আমার ব্যক্তিগত ম্যানেজার। আমার সাফল্যের অনেকখানিই ডেল কার্নেগির শিক্ষার ফলেই হয়েছে। তরুণ কার্নেগি শিক্ষার জন্য প্রচণ্ড সংগ্রাম করেছিলেন। গোড়ার তাকে পড়ে থাকতে হয় উত্তর পশ্চিম মিসৌরীর ভাঙাচোরা সেই খামারে। হতাশায় মরীয়া হয়ে কার্নেগিপরিবার মিসৌরীর কাছে ওয়ারেনসবুর্গের স্টেট টিচার্স কলেজের কাছে আর একটা খামার কেনেন। ঐই কলেজে প্রায় ছ’শ ছাত্র ছিলো। কার্নেগির এমন টাকা ছিলো না। যাতে শহরে থাকা সম্ভব। তিনি দেখলেন কলেজে সেই ছাত্রদেরই রমরমা,যারা ফুটবল আর বেসবল খেলে বা যারা বিতর্ক আর লোকজনের সামনে। বক্তৃতা দিয়ে বিজয়ী হয়। খেলাধুলোয় কোন দক্ষতা নেই বুঝেই কার্নেগি বক্তৃতা প্রতিযোগিতায় জয়ী হবেন ভাবলেন। মাসের পর মাস তিনি বক্তৃতা তৈরি করে চললেন। কিন্তু এতো প্রাণপণ চেষ্টা,হারের পর হারের ফলে বৃথাই গেল। তারপর আচমকা তিনি জয়ী হতে আরম্ভ করলেন। কলেজের সব। প্রতিযোগিতাতেই তার জয় হল। অন্য সব ছাত্ররাও এরপর তাকে শিক্ষা। দিতে অনুরোধ জানাতে আরম্ভ করল আর তারাও জয়ী হল। গ্র্যাজুয়েট হওয়ার পর পশ্চিম নেব্রাসকা আর পূর্ব উইণ্ডমিঙে তিনি ডাকযোগে শিক্ষার পাঠক্রম বিক্রি শুরু করেন। প্রচুর পরিশ্রম করেও তেমন সাফল্য এলোনা। জীবন ধারণের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হয়ে নানা জীবিকা গ্রহণ করতে হল কার্নেগীকে। বিক্রয় প্রতিনিধি হয়ে প্যাকার্ড কোম্পানির ট্রাক বিক্রি তার মধ্যে অন্যতম। সেই সময় কার্নেগির মতো অসুখী মানুষ বোধহয় আর ছিল না। প্রতিদিনের জীবন তার কাছে দুর্বিষহ হয়ে উঠল। তার জীবনের আকাঙক্ষা ছিল বই লিখবেন,যে বই লেখার স্বপ্ন তিনি কলেজে পড়ার দিনগুলোয় দেখতেন। শেষপর্যন্ত তাই তিনি কাজে ইস্তফা দিয়ে দিলেন। মনে মনে কার্নেগি ঠিক করলেন গল্প,উপন্যাস লিখতে সুরু করবেন আর রাতের স্কুলে শিক্ষাদান করে জীবিকা নির্বাহ করবেন। কিন্তু কী শিক্ষা দেবেন? কলেজ জীবনের দিনগুলোর স্মৃতি রোমন্থন করে কার্নেগীর মনের পটে জেগে উঠলো বক্তৃতা দেবার শিক্ষাই তাকে একমাত্র আত্মবিশ্বাস দিতে পেরেছিলো। এরই মধ্যে তিনি লাভ করেছিলেন সাহস,গতিশীলতা আর ব্যবসা জগতের অসংখ্য মানুষের সঙ্গে মেলামেশার ক্ষমতা। এই কথা স্মরণ করেই কার্নেগি নিউ ইয়র্কের সমস্ত ওয়াই.এম.সি.এ. স্কুলে বাণিজ্য জগতে মানুষের বক্তৃতাদান শেখামোর ক্লাসে শিক্ষকের কাজের জন্য আবেদন জানালেন।ব্যাপার কী?  ব্যবসায়ীদের শনা হিসেবে গড়ে তোলা? পঞ্চব। এট। তারা ভালোই জানেন যে এরকম হতে পারে না। আগে এ চেষ্টা চালিয়ে তারা ব্যর্থ হয়েছেন। পুল কর্তৃপক্ষ যখন তাকে প্রতিরাতে মাত্র দু গুলার মাইনেও পিতে রাজি হলেন না,কার্নেগি তখন মোট লাভের উপর কমিশনে কাজ নিতে রাজি হলেন-অবশ্য লাভ আদৌ হলে। আশ্চর্য গটনা হল,মাত্র তিনবছরে কর্তৃপক্ষ তাকে প্রতিরাতে দু ডলারের বদলে তিন ডরার দিতে থাকেন। পাঠক্রম বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠল। ক্রমে অন্য শহরের পুলও এ কাহিনী শুনল। ডেল কার্নেগি নিউ ইয়র্ক, ফিলাডেলফিয়া, বাল্টিমোর, লন্ডন, প্যারী-সর্বত্রই খ্যাতিমান হয়ে উঠলেন। তাঁরা তার পাঠক্রমের প্রতি আগ্রহী ছিলেন তাদের জন্য ভালো কোন পাঠ্য পুস্তক ছিল না। কিন্তু তাতে উদ্যম হারান নি কার্নেগী-তিনি নিজেই একখানা বই লিখে ফেললেন ‘জনগণের সামনে বক্তৃতা ও বাণিজ্য জগতে প্রভাব বিস্তার। আজ সেই বই,সমস্ত ওয়াই এম,সি,এ,আমেরিকান ব্যাঙ্কার্স অ্যাসোসিয়েশন অব ন্যাশনাল ক্রেডিট মেনস্ অ্যাসোসিয়েশনের সরকারী পাঠ্যপুস্তক। আজ ডেল কার্নেগীর পাঠক্রমের ছাত্র সংখ্যা অন্য যে কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের বক্তৃতা পাঠক্রমের ছাত্র সংখ্যার চেয়ে বেশি। ডেল কার্নেগির দাবি যে কোন মানুষই ক্ষেপে গেলে কথা বলতে পারে। তার মত হল আপনি যদি শহরের সবচেয়ে অজ্ঞ লোককেও মুখে ঘুসি মারেন,সে উঠে দাঁড়িয়ে উন্মত্তের মতই চিৎকার করে মমোভাব প্রকাশ করবে। তিনি আরো বলেন,যে-কোমো মানুষই আত্মবিশ্বাস থাকলে জনগণের সামনে সংলাপে সক্ষম। শুধু তার মনের অভ্যন্তরে আকাঙক্ষা। যদি টগবগ থাকে। আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলার পথ তার মতে হল,যে কাজে আপনার ভীতি আছে সেই কাজই করা। এই জন্যই তিনি তাঁর পাঠক্রমের ক্লাসে প্রত্যেককে অল্পবিস্তর বক্তৃতা দিতে বলে থাকেন। শ্রোতারাও সহানুভূতিশীল কারণ তারা সবাই একই নৌকার যাত্রী। একমাত্র ধারাবাহিক অনুশীলনই সাহস,আত্মবিশ্বাস আর আগ্রহ জাগিয়ে তুলতে পারে। ডেল কার্নেগী আপনাদের বলবেন যে তিনি আজ পর্যন্ত এই বক্তৃতা দান শিক্ষা দিয়েই জীবিকা নির্বাহ করেছেন। কিন্তু তিনি অন্য একটা দাবীও করবেন,আর তাহল তার প্রধানতম কাজ মানুষের ভয় দূর করে সাহস জাগিয়ে তোলা। কার্নেগীর সব ছাত্রই হলেন ব্যবসা জগতের মানুষ। এই জন্যই তারা চাইতেন দ্রুত কোন ফলাফল। যাতে তাদের শিক্ষাকে তারা কাজে লাগতে পারেন। কার্নেগি সে কাজে যে সম্পূর্ণ সফল আজ তার পাঠক্রমের অভাবিত জনপ্রিয়তাই সেকথা প্রমাণ করে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক উইলিয়াম জেম্স বলেছিলেন,সাধারণ মানুষের সুপ্ত মানসিক ক্ষমতার মাত্র শতকরা দশভাগই জাগিয়ে তোলা সম্ভব। ডেল কার্নেগি বয়স্কদের সুপ্ত ক্ষমতা জাগিয়ে তুলে অলৌকিক কাণ্ড ঘটিয়েছেন।

    – লাওয়েল টমাস

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • বড় যদি হতে চান – ডেল কার্ণেগী

    ভূমিকাঃডেল কার্নেগীকে এখন আর নতুনভাবে পরিচয় করিয়ে দেবার কিছু নেইবোধহয় সারা পৃথিবীতে এমন একজন শিক্ষিত মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবে না যিনি ডেল কার্নেগীর নাম জানেন নাডেল কার্নেগী কেবল একটি নাম নয়বিশ্বাস,আদর্শ, দুশ্চিন্তাহীন নতুন জীবনের নামপৃথিবীর অনেক বিশ্ববিদ্যালয় আর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আজকাল তার লেখা বই পাঠ্য তালিকার অন্তর্ভুক্তঅথচ প্রচণ্ড প্রতিকূলতার মধ্যে তার অতীতের দিনগুলো কেটেছেডেল কার্নেগীইংরেজি সমাজ থেকে উঠে আসা লেখকবাঙালি সমাজ পর্যন্ত পৌছতে পেরেছেন তিনিশুধু তাই নয়,তিনি বাঙালি সমাজকেও উপদেশ দিয়েছেন,দিয়েছেন জ্ঞানতিনি এমনিতেই শ্রেষ্ঠত্বের মর্যাদা পাননিতিনি সাধারণ মানুষের মানুসিক চিকিৎসা করেছেন নানান ধরনের লেখার মাধ্যমেএটি মূলত উপদেশমূলক বইডেল কার্নেগী সমগ্রে মোট আটটি বই আছেপ্রতিটি বইয়ে মানুষের উন্নতির পথ তিনি দেখিয়েছেন১৮৮৮ সালে ডেল কার্নেগী আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরীতে রেলপথের দশ মাইল দূরে এক খামার বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেনঅতি সাধারণভাবে তিনি তার জীবন শুরু করেনজন্মের বার বছর পরও মোটরগাড়ি চোখে দেখেননিঅথচ ছেচল্লিশ বছর পার না হতেই পৃথিবীর সব শিক্ষিত মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে উঠেনবড় হওয়ার এবং শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করার পরামর্শ ভিত্তিক বইটি সকলের মনে অনুপ্রেরণা যোগাবে বলে আমার বিশ্বাসবিভিন্ন সমস্যায় জর্জরিত মানুষ বিশেষ করে বেকার,হতাশাগ্রস্ত,আর্থিক অভাবগ্রস্ত,পেশাগত সফলতা লাভে ব্যর্থ মানুষদের জন্য এই বই ঔষধের মত কাজ করবে বলে আমাদের বিশ্বাস

    প্রকাশক

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • বরণীয় যাঁরা স্মরণীয় যাঁরা – ডেল কার্ণেগী

    ভূমিকাঃ প্রতি মিনিটে যার সম্পদ এক শ ডলার করে বাড়ছে-আপনি তাকে চিনতে পার? আপনি কোটিপতি হবার স্বপ্ন দেখছেন,অথচ আপনি তাকে জানেন না,যিনি অগণীত কোটিপতি তৈরি করেছিলেন। এর চেয়েও মজার কথা হচ্ছে আপনি সারাক্ষণ ফিটফাট থেকে কিংবা রূপচর্চা করে অথবী নানা কৌশলের আশ্রয় নিয়ে সুন্দরী ললনার মন জয় করতে চান অথচ আপনি জানেন না। সেই বিশ্ব প্রেমিককে,যাকে একদন্ড কাছে পাওয়ার বাসনায় বহু ডেগমগা মেয়ে তাদের সর্বস্ব বিনিময়ে দিতে রাজি। মুদি সত্যিই আপনি এসব ঘটনা ও ঘটনার নায়ক-নায়িকাদের না। চিনে থাকেন তবে ব্যাপারটা অতিশয় না অজাজনক-নয় কি? এমনিতে বসে-বসে আঙুন সুষবেন আপনি আর মনে মনে কোটিপতি হবার উচ্চাশা পোষণ করবেন কিংবা নীরব কবিতার রঙ্গ মনে মেখে নিয়ে ভাববেন অনায়াসেই মেয়েদের মনের রাজাধিরাজ হয়ে যাব-তা কিন্তু কখমো সম্ভব হবে না। মানুষকে না জেনে আপনি মানুষের মতো মানুষ হতে পারবেন।  আপনি যা হতে চান-যা কিছু পেতে চান,সেজন্য পথ বা পন্থা চাই। আর সেটা পাবেন কোথেকে? মানুষের জীবন থেকে। হ্যা,মানুষের জীবনই জীবন সাফল্যের মস্ত এক সফল অভিধান। এই সত্য কথাটাই আমি আপনাদের জানাতে চেয়েছিলাম। আর, সেজন্য আমি বহুদিন খুঁজে,বহু শ্রমের বিনিময়ে একটি বই সংগ্রহ করি। এটাই সেই বই। তারপর আসে উত্তম অনুবাদের কথা। তাতেও কোথাও কোমো ত্রুটি রাখা হয় নি। ব্যক্তিত্ব প্রতিভার। বিকাশ’ একটি অনুপম রচনা-যার নির্যাস আপনাকে প্রেরণা দেয়;  যার প্রতিটি অক্ষর স্বর্ণ ইট হয়ে আপনার ভবিষ্যতের স্বপ্ন তাজ’ গড়ে তোলে;  যার প্রতিটি উপদেশ আপনার চলার পথে দিকনির্দেশক বাতিঘরের মতো কাজ করে। শুধু এটুকু বলি না যে,এই বই পড়ে আপনি নিরেট জ্ঞানলাভ করুন এবং কট্টরপন্থি মানুষের মতো জ্ঞানের বোঝা বাড়িয়ে তুলুন। সেই জ্ঞান বিশ্বশ্রেষ্ঠ ব্যবহারিক পুস্তক প্রণেতা ডেল কার্নেগি কখমো দেন না। তার জ্ঞান-দানে মজা আছে; আর তার বই সুখপাঠ্য ও আনন্দময়-এতে কারো ভিন্নমত ছিল না এবং নেইও তাই একই সঙ্গে জানা যাচ্ছে সে-সব মজার জীবন-যেখানে ভুল ট্রেনে চেপে একজন ধর্ম প্রচারক কী করে শ্রেষ্ঠ জাদুকর হয়ে যাচ্ছে; ছোট্ট একটা অপমান সহ্য করে একজন ব্যক্তি বিশ্বখ্যাত আইনজীবী হয়ে গেলেন; খ্যাতিকে পদাঘাত করতে গিয়েও যিনি সুখ্যাতি পেলেন ইত্যাদি। মারক। এসব তো অজানা মানুষের বিচিত্র জীবন কথা না। এর থেকেও বিচিত্র ব্যাপার হচ্ছে,জানা লোকদেরই জীবনের গোপন সব বিচিত্র বিষয়। আপনি জানেন কি,নাট্যম্রাট শেক্সপিয়ার কখমো নাটকই লিখতে চান নি? আপনি জানেন,রুজভেল্টের বুকে যখন গুলি করা হল তখমো তিনি বক্তৃতা দিয়েই যাচ্ছিলেন?  আপনি জানেন কি,ক্যাপ্টেন ফ্যালকন মেরু রহস্য খুঁজতে গিয়ে কীভাবে ঈশ্বর রহস্যের সন্ধান পেয়েছিলেন?  আপনার এত কথা জানার অবসর কোথায়-তাই না?  না এজন্য ভাবনার কিছু নেই। কার্নেগি সবার সমস্যা সম্পর্কেই সচেতন। আর তাই এইসব মজার জীবনকাহিনী ও ঘটনাকে তিনি প্রতিটি ক্ষেত্রেই পাঁচ মিনিটে সহজপাঠ্য করেছেন। খুব কষ্টে বইটি আপনাদের হাতে তুলে দিতে পেরেছি বলে আমি গর্বিত ও আত্মতৃপ্ত। প্রাথমিকভাবে অনিচ্ছাসত্ত্বেও যা সামান্য ত্রুটিবিচ্যুতি রয়ে গেল সে জন্য আমি দুঃখিত।

     – প্রকাশক

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • সুখি জীবন ও কাজের সন্ধানে – ডেল কার্ণেগী

    প্রসঙ্গ-কথাঃ আমাদের সুখ-দুঃখ আশা-নিরাশায় পূর্ণ জীবনের বেশিরভাগ সময় অতিবাহিত হয় কর্মের চিন্তায়। আসুন,এই কর্মজীবনকে সুখী,সমৃদ্ধ শান্তিময় করে তোলার চেষ্টা করি। হয়তো আপনি ব্যস্ত কোমো গুরুত্বপূর্ণ কাজে,যার সাথে মিলে আছে আরো অনেক লোকের স্বার্থ,তখন আপনার মুহূর্তের ভুল আপনাকে এবং সেইসব মানুষদের সকলকেই ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ও ব্যতিব্যস্ত করে তুলবেই সারাদিন অজস্র পরিশ্রম করেও দিনের শেষে অত্যন্ত ক্লান্ত,শ্রান্ত,বিমর্ষ হয়ে পড়বেন। এই হতাশার হঠাৎ আঘাতে আপনার কাছে জীবন হয়ে উঠবে হয়তো দুর্ভাবনার। কর্মজীবন হয়ে উঠবে বৈচিত্রহীন,আনন্দহীন। তখন একটু অবসরের জন্যে মনটা আপনার তৃষ্ণার্ত হয়ে ফুলে উঠবে।

    নিঃসন্দেহের মনের বিজ্ঞানী ডেল কার্নেগির এই রচনা আপনাকে ওই হতাশ,অন্ধকার জীবনে আলোর সন্ধান দেবে! কারণ এই মানুষটির এই অমূল্য রচনা পাঠ করে পৃথিবীর সব প্রান্তের কোটি কোটি মানুষ পেয়েছে জীবনের আকাঙ্ক্ষিত সফলতা। ডেল কার্নেগির এই বইটি তাঁর কল্পনপ্রসূত অন্তঃসার শূন্য উপদেশ নয়। এটি তাঁর আয়াসলব্ধ অভিজ্ঞতার ফসল। এটি তার সংগ্রামী চেতনালব্ধ জীবনদর্শন। মনে করুন,আমরা আজ থেকেই সমস্ত দ্বিধাদ্বন্দ্ব ঝেড়ে ফেলে,ডেল কার্নেগির প্রদর্শিত পথে চলতে শুরু করি। পাকা ডুবুরীর মতো বিস্তীর্ণ এই সংসার-সমুদ্রের অতল থেকে যিনি তুলে এনেছেন অসংখ্য অভিজ্ঞতার রত্নসম্ভার,তাঁর সেই অমূল্য সঞ্চয় মুদ্রিত এ গ্রন্থে।

    এ বই আপনাকে দেবে হাজার আনন্দের রোশনাই। এমন বন্ধু, এমন স্বজনের সান্নিধ্য আপনি লাভ করতে পারবেন,যা পাখির কূজনের মতো মধুর, সূর্যের রশ্মির মতো দৃপ্ত,চাদের আলোর মতো স্নিগ্ধ। আপনি পেয়ে যাবেন সফল কর্মজীবনের চাবিকাঠি,জনচিত্ত জয় করবার জাদুকাঠি। কুসুমের মতো কোমল ও বজের মতো কঠিন। ব্যক্তিত্ব।

    কর্মময় জীবনকে নিত্য নতুনভাবে সাজিয়ে নেয়ার সফলতা ছড়ামো। আছে আপনার চারপাশে,শুধু চাই সঠিক ও নিষ্ঠ পরিশীলন। যা ডেল। কার্নেগি শিখিয়েছেন,চিনিয়েছেন,আপনাকে-আমাকে-সকলকে।

    আপনার কর্মজীবন সমৃদ্ধ হাকে। সুখের ছোঁয়া লাগুক আপনার জীবনে এটুকুই আমার আন্তরিক কামনা। এসব বই আপনি কেন পড়বেন?

    এসব বই আপনাকে কীভাবে উপকার করবে? নিজেকে খুঁজুন। মনে রাখবেন,পৃথিবীতে সবচেয়ে বড় আপনার কাছে আপনার নিজের সত্তা। অনুসরণ নয়। অনুকরণ নয়।

    নিজেকে জানুন,সফলতার উপায় অর্জন করুন। নিজের পথে চলুন।

    সুন্দর,নিটোল,ছিমছাম কাজের চারটে উপায় আছে।

    প্রথমত,কাজের টেবিল সবসময় পরিষ্কার রাখুন। অপ্রয়োজনীয় কাগজপত্র সরিয়ে ফেলুন। দ্বিতীয়ত,গুরুত্ব অনুযায়ী পরপর সাজিয়ে নিয়ে কাজ করুন।

    তৃতীয়ত,সমস্যা যখনি আসবে তখনি তার সমাধানে সচেষ্ট হোন,তবে তড়িঘড়ি করে কোমো সিদ্ধান্ত নেবেন না।

    চতুর্থত,ক্লান্ত বা অবসন্ন করে এমন কোমো বিশৃঙ্খল কাজ করবেন। সফল ও সুন্দর কাজের জন্যে সবচেয়ে জরুরি সংগঠন,শৃখলী আর নিয়ন্ত্রণ।

    ক্লান্তি,বিষন্নতা,হতাশা আর দুশ্চিন্তা থেকে মুক্ত হবার সহজ কিছু পন্থা আছে,তাহল:

    প্রথমত,সঠিক সঙ্গী নির্বাচন। জানেন তো,প্রিয়তমা তরুণীর সাথে । দশ মাইল হেঁটে গেলেও আপনি ক্লান্ত হবেন না,কিন্তু একান্ত আপনজন হলেও বিরক্তিকর স্ত্রীর সঙ্গে দশ পা হাঁটতেও আপনার কষ্ট হবে। এর কারণ খুঁজে বের করা ও সমাধান করা।

    দ্বিতীয়ত,এই আত্মবিশ্বাস সর্বদা জাগরূক রাখা যে,আপনার যা আছে তার দাম লক্ষ টাকারও বেশি।

    তৃতীয়ত,সস্তা ও অকারণ সমালোচনার প্রশয় দেবেন না। কারণ তা আপনার ব্যক্তিসত্তাকে ছোট করবে। অতি প্রশংসা আপনার ব্যক্তিত্বকে খর্ব করবে। আপনি হতাশ হবেন।

    চতুর্থত,কখমোই কাজে ফাঁকি দেবেন না। নিষ্ঠা ও আত্মরক্ষার ক্ষমতাই আপনাকে নিশ্চিন্ত করবে। ছন্ন প্রশংসায় আপুত হলে,আপনি কাজ করবেন কেমন করে।

    পঞ্চমত,আপনার চারপাশে ছড়িয়ে আছে অজস্র সুযোগ। তাকে হেলায় হারাবেন না। মধু আহরণে আপনি যদি ব্যর্থ হোন তার জন্যে মৌচাককে দায়ী করতে পারেন না। মধু আহরণের সহজ পন্থা কি,খুঁজে নেয়া। আশাবাদী হওয়া।

    ষষ্ঠত,জনসংযোগের কয়েকটি সহজ রাস্তা ডেল কার্নেগি দেখিয়েছেন এ বইতে,যা আপনাকে প্রফুল্ল রাখবে।

    সপ্তমত,কর্মই জীবন,এ কথা মনে রাখবেন। যে কর্মঠ সে বিশ্ব জয় করতে পারে। অলস কর্মহীন মানুষকে সবাই বর্জন করে। একাকী নির্জন পথে তাকে চলতে হয় বিষন্ন ও হতাশ হয়ে।

    স্বজনশূন্য মানুষ অসহায়। জীবনে খুশি ও সহায়তায় আশ্বাস দেয় প্রিয়জন,স্বজন। সেই স্বজনের বন্ধুত্ব লাভ করার কয়েকটি সরল পথ ডেল কার্নেগি দেখিয়েছেন এই পর্যায়ে। জনচিত্ত জয় করার গুরুত্বপূর্ণ গুণটি কীভাবে আয়ত্ত করা যায় তার মূল্যবান চাবিকাঠি কেমন করে পাওয়া যাবে সে পথ দেখিয়েছেন ডেল কার্নেগি।

    -প্রকাশক

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • স্ত্রী যখন বান্ধবী – ডেল কার্ণেগী

    ভূমিকাঃ

    ভালবাসতে শিখুন:মহিলারা নিজেকে এত বেশি ভালবাসেন যে অন্যদিকে তাকামোর বা অন্যকে ভালবাসার অবকাশ থাকে না। অপরদিকে,যেসব মহিলা ভালবাসার ব্যাপারে অত্যন্ত সজাগ ও উদার তারা স্বামীর কাছ থেকে অপরিসীম ভালবাসা লাভ করেন।

    * সুরসিকা হয়ে উঠুন:অনেক স্ত্রী আছেন যারা সম্পূর্ণ দক্ষ হওয়ার মানসিকতার শিকার হয়ে থাকেন। মনে রাখতে হবে,সব ব্যাপার সহজভাবে হৃষ্টমনে গ্রহণ করতে পারলে হতাশায় না ভুগে বরং সব সরলভাবে মানিয়ে নিতে পারলে দাম্পত্য জীবনে প্রেমের ভিত্তি সুদৃঢ় হয়ে ওঠে।

    * উদার হয়ে উঠুন:বিবাহিত জীবনে আধা-আধির কোমো ব্যাপার থাকে না। প্রেমের মূলকথা হল নিজেকে স্বামীর কাছে নিঃস্বার্থভাবে উজাড় করে দেওয়া। যে সব স্ত্রী একান্ত বিশ্বস্তভাবে স্বামীর প্রতি অনুরক্ত এবং পার্থিব সুখের জন্য সর্বস্ব বিসর্জন দিতে প্রস্তুত,তারাও আবার সামান্য ব্যাপারে বিভ্রাট ঘটিয়ে থাকে,কিন্তু এটা করা কখমোই উচিত নয়। অনেক সময় স্ত্রীরা বিয়ের পর স্বামীর পুরমো বন্ধুদের সহ্য করতে পারেন না,তাদের ঈর্ষা করেন। কিন্তু এই ব্যাপারগুলোকে যদি সহজভাবে মেনে নেওয়া যায়,তবে অশান্তি হওয়ার কোমো ভয় থাকে
    সামান্য বিষয়েরও প্রশংসা করুন:স্ত্রীকে সুখী করার জন্য স্বামী যা যা করে থাকে তার উল্লেখ আর প্রশংসা করা প্রত্যেক স্ত্রীরই কর্তব্য। এর স্বীকৃতি দেওয়া চাই। আমাদের অনেকেই স্বীকার করি না যে স্বামী প্রতিদিন আমাদের কত সেবা করেন,কত কাজ করে দেন। এর একমাত্র কারণ হল আমরা কাজগুলো স্বামীদের দিয়েই করিয়ে নিতে অভ্যস্ত। স্বামীর কাজের স্বীকৃতি দেওয়া সব সময় প্রয়োজন।

    * সুবিবেচক হয়ে উঠুন:স্বামী যখন ঘরে ফিরে একটু বিশ্রাম নিতে চান,তখন কোমো বিবেচক স্ত্রীর সাজগোজ করে বাইরে যাওয়া উচিত নয়। স্বামীর প্রতি গভীর ভালবাসা থাকলে স্বামী কখন কী চান স্ত্রী স্বাভাবিকভাবেই সেটা উপলব্ধি করতে পারেন। এবং স্বামীর সুখ ও স্বাচ্ছন্দ্যের আলোয় নিজেকে উদ্ভাসিত করে তার ভালবাসার ফসল আদায় করতে পারেন।

    – প্রকাশক

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • দুচিন্তা মূলক নতুন জীবন – ডেল কার্ণেগী

    প্রসঙ্গ কথাঃ অনেক বছর ধরে প্রতিপত্তি ও বন্ধু লাভের সঙ্গে ডেল কার্ণেগির নাম সমভাবে পরিচিত। নোবেল বহির্ভূত বইয়ের মধ্যে ডেল কার্নেগির লেখা বইগুলি সব চাইতে বেশি জন প্রিয় এবং বেশি কিপি বিক্রি হয়েছে এবং তাঁর লেখা বই গুলি তাকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি এনে দিয়েছে।

    ১৯২৬সালে ডেল কার্নেগী একটি বই লেখেন।তার লেখা বই ওয়াই.এম.সি. এ.পাবলিক স্পিকিং ক্লাসেও পড়ানো হত।  বিগত দশ বছরে তাঁর লেখা এই বইটি ৬০০০০০ কপি বিক্রি হয়েছে এবং মোট বিক্রির সংখ্যা এক কোটি কপিরও বেশি। তাঁর লেখা বই ২০টিরও বেশি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছে এবং হাজার হাজার কপি বিক্রি হয়েছে তবে সাধারণ পাঠকেরা তাঁর লেখা বই সম্পর্কে ওয়াকেবহাল নন।

    ডেল কার্নেগী কোর্সের দর্শন আজ সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে এবং দশ লাখেরও বেশি লোক এই কোর্সে গ্রাজুয়েশন লাভ করেছে। এই কোর্সে জনগণকে অধিকতর সাহসী করে তোলে, তাদের সুখী সমৃদ্ধ জীবন গড়ে তুলতে সাহার্য করে।

    ডেল কার্নেগি কোর্সের ছাত্ররা এ বই থেকে যে উপকার পেয়েছিল নতুন পাঠকেরাও অনুরুপ উপকার পাবে আমার বিম্বাস।

    -ডরোথি কার্নেগি

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • তুমিও জিতবে – শিব খেরা

    সম্পাদকীয় কথাঃ সাফল্যের অর্থ ব্যর্থাতার অনুপস্থিতি নয়; এর অর্থ চূড়ান্ত লক্ষের সিদ্ধি। এর অর্থ যুদ্ধে জয়লাভ, প্রত্যেকটি লড়াইয়ে নয়।

    আপনার অনেক ব্যক্তির সঙ্গে সাক্ষাৎ হয়েছে যারা আক্ষরিক অর্থে সারা জীবন ধরে পথভ্রষ্ট হয়েছে বা উদ্দেশ্যহীন ভাবে ঘুরে বেড়িয়েছে। তারা স্বাভাবিক ভাবে তাদের ভাগ্যে যা আছে তাই-ই মেনে নিয়েছে। এদের মধ্যে  কয়েকজন আকস্মিক ভাবে সাফল্যমন্ডিত হলেও বেশির ভাগ সারাজীবন ধরে হতাশায় ভুগেছে ও অসুখী থেকে গেছে।

    ৳ 100.00৳ 250.00
  • বিশ্বাসেই বিশ্ব জয় – মোস্তাক আহমাদ

    ভূমিকাঃ “বিশ্বাসেই বিশ্বজয়” এই মূলমন্ত্রই আমাদেরকে ব্যক্তি জীবনের সর্বক্ষেত্রে সফলতা অর্জনে সহায়তা করে। এই মন্ত্রেই উজ্জীবিত হয়ে আমরা নিজেদের বিশ্বজয়ী হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হই। জীবনে সাফল্য অর্জন করতে চায় না এমন মানুষের সংখ্যা নগণ্যই বলা চলে। একমাত্র পাগল ছাড়া সকলেরই স্বপ্ন থাকে জীবনকে সুন্দর ও সঠিক পথে পরিচালিত করা। স্বপ্নহীন মানুষকে জড়পদার্থের সাথে তুলনা করা চলে। একমাত্র স্বপ্নই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। পথ চলতে শেখায়,সঠিক পথের দিক নির্দেশনা দেয়। আমাদের প্রতিদিনের স্বপ্নগুলোর মধ্যে,জীবনে সাফল্য ও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করা অন্যতম একটি। আমরা যে যেখানে যে কাজ-কর্মই করি না কেন,আমাদের লক্ষ্য থাকে সেই কাজে সাফল্য অর্জন করা। কিন্তু আমাদের সাফল্য অর্জনের জন্য শুধু স্বপ্ন দেখলেই চলে না। সাফল্য প্রাপ্তির জন্য চাই আত্মবিশ্বাস। আত্মবিশ্বাস ছাড়া জীবনে সাফল্য আশা করা যায় না। শুধু সাফল্যই নয়,যে কোন প্রাপ্তির জন্যই আত্মবিশ্বাস অপরিহার্য। সাফল্য লাভের জন্য বেশ কিছু গুণাবলি থাকা প্রয়োজন। আমরা সাফল্য কামনা করি কিন্তু কীভাবে বা কি কি গুণাবলি থাকলে বা পন্থা অবলম্বন করলে সাফল্য অর্জিত হয় তা জানি না। অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগে-সত্যি কি সাফল্য লাভের কোন পন্থা আছে?  অবশ্যই আছে। না থাকলে বিশ্বের অন্যসব মানুষগুলো কীভাবে সফলতা লাভ করেছেন। নিশ্চয়ই সফলতা অর্জনের পন্থা আছে। আপনারও সেই উপায় বা পন্থা জানা উচিত। আপনিও সাফল্য লাভ করতে পারবেন। শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে পারবেন। আপনার আত্মবিশ্বাসই আপনাকে সাফল্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সহায়তা করবে। আর আত্মবিশ্বাস অর্জনের জন্য করণীয় বিষয় সম্পর্কে এই গ্রন্থ থেকে আপনি প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা পেয়ে সীমাহীন উপকৃত হবেন বলে আমার একান্ত বিশ্বাস। আমাদের চারপাশে অসংখ্য ব্যর্থ এবং অসফল মানুষের বাস। তাঁরা ব্যর্থতার গ্লানিতে কষ্ট পান হতাশায় ডুবে থাকেন। অথচ কি করলে তারা চরম হতাশা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেন বা তারা জীবনে সফলতা পেতে পারেন-সে বিষয়ে তাদের ভ্রুক্ষেপ নেই। কোন সঠিক পরিকল্পনা বা লক্ষ্যই তারা ঠিক করতে পারেননি। তাদের মনে সদা একটাই ভয় কাজ করে-আমি পারব না,আমার দ্বারা কিছু হবে না,আমি অযোগ্য,আমার ভাগ্য ভাল না ইত্যাদি। অর্থাৎ নেতিবাচক চিন্তা তাদের গ্রাস করেছে। তাদের মনোেবলকে ভেঙ্গে দিয়েছে। এটাই তাদের ব্যর্থ হওয়ার একমাত্র কারণ। এই ধরনের নেতিবাচক চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে আত্মবিশ্বাস গড়ে তুলুন। ভাবতে শিখুন-আমি পারব,আমার দ্বারা সম্ভব,অন্যদের মতো আমিও মানুষ অন্যরা পারলে আমিও পারব। সাফল্য আমার জীবনে আসবেই। এই আত্মবিশ্বাস,ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি,সঠিক কর্মপরিকল্পনা,কাজে লেগে থাকার মমোভাবই আপনাকে সাফল্যের শীর্ষে নিয়ে যাবে। এমনিভাবে বিশ্বাসে পরিপূর্ণ মনোবলই আপনাকে বিশ্বজয়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে সহায়তা করবে বলেই আমার দৃঢ় প্রত্যাশা।

    – মোস্তাক আহমাদ

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • আপনিই আপনার সফল নির্মাতা – মোস্তাক আহমাদ

    ভূমিকা:আমরা প্রত্যেকেই নিজেদের নির্মাণের কারিগর।  আমাদের স্বপ্ন, কল্পনা, চিন্তা ভাবনার ভেতর দিয়ে সফলতার ভিত্তি গড়ে ওঠে।  আপনি কি চান?  কেন চান? আপনার প্রতিটি কাজ ও সিদ্ধান্ত আপনার ইচ্ছেরই প্রতিফলন ঘটায়।  তাই আপনিই আপনাকে নির্মাণ করেন কাজ ও চিন্তাশক্তির মাধ্যমে।  ইচ্ছের জোরে অসম্ভবকে সম্ভবে পরিণত করা যায়।  আগ্রহ ও উৎসাহের অভাব থাকলে ইচ্ছা শক্তিও ঠিকভাবে কাজ করে না।  একটি উপত্যকা বরাবর এক সিংহ এক কৃষ্ণসার হরিণকে তাড়া করছিল।  সিংহটি হরিণকে প্রায় ধরে ফেলেছিল।  ক্ষুধার্ত চোখে একটা সন্তোষজনক খাদ্যের কথা ভাবছিল।  মনে হচ্ছিল, শিকারের পক্ষে পালানো একেবারেই অসম্ভব: কারণ একটা গভীর গিরিখাত শিকারী ও শিকার উভয়ের সামনে এসে তাদের পথ বন্ধ করে দিয়েছিল।  কিন্তু দুর্বল হরিণ তার সর্বশক্তি সংহত করে ধনুক থেকে ছোঁড়া তীরের মতো এক লাফে ওপারের গিরিচূড়ায় স্থির হয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল।  আমাদের সিংহ তা করতে পারল না।  কিন্তু সেই মুহূর্তে তার এক বন্ধুকে হাতের কাছেই পাওয়া গেল।  সে বন্ধু ছিল এ্যাকশিয়াল।  সে বলল, “কি! আপনার এই শক্তি এবং ক্ষিপ্রতা থাকতে এই দুর্বল কৃষ্ণসারের কাছে হার মানবেন! এটা কি সম্ভব?  আপনার শুধু ইচ্ছে থাকা দরকার, এবং আপনি আশ্চর্য সাধন করবেন।  গহ্বর যদিও গভীর তবুও যদি আপনার আগ্রহ থাকে, আমি নিশ্চিত, আপনি এটা লাফাতে পারবেন।  আপনি নিশ্চিতভাবে আমার স্বার্থহীন বন্ধুত্বে আস্থা রাখতে পারেন।  আপনার শক্তি এবং দক্ষতা সম্পর্কে সচেতন না হলে আমি আপনার জীবন বিপন্ন  করতে বলতাম।” সিংহের রক্ত গরম হয়ে তার শিরার মধ্যে ফুটতে লাগল।  সে তার সব শক্তি দিয়ে লাফাল।  কিন্তু সে ওপারে পৌঁছুতে পারল না; নীচে পড়ে মরল।  তারপর তার প্রিয় বন্ধু কি করল?  সে সতর্কতার সাথে গিরিখাতের তলায় নামল এবং সেখানে খোলা জায়গায়, মুক্ত বাতাসে যখন দেখল যে সিংহ আর তোদের বা আনুগত্য কিছুই চায় না, তখন সে তার মৃত বন্ধুর শেষ দুঃখজনক আচার পালন করতে শুরু করল এবং মাস খানেকের মধ্যে তার হাড়কে পরিষ্কার করে ফেলল।  আমরা শিক্ষা নিতে পারি এসব শিক্ষণীয় গল্পের মাধ্যমে এবং গড়ে তুলতে পারি আমাদের স্বপ্নের সফল নির্মাতা হিসেবে নিজেকে।  যেভাবে আমরা নিজেদের গড়তে চাই ঠিক সেভাবেই গড়তে পারি যদি আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য ঠিক থাকে।  তাই আসুন আপনিই হবেন আপনার সফল নির্মাতা।

     -মোস্তাক আহমাদ

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • চিন্তাশক্তিই আপনাকে বিখ্যাত করে তোলে – মোস্তাক আহমাদ

    ভূমিকাঃ আমরা আমাদের চিন্তার ভেতর দিয়েই নিজেদের প্রকাশ করিযার চিন্তাশক্তি যত সৃজনশীল ব্যক্তি জীবনে তিনি ততটাই সফল হয়ে সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে সক্ষম হোনআমাদের স্বপ্নগুলো প্রথমে চিন্তায় স্থান পায় পরবর্তীতে তা পরিকল্পনায় রূপ নেয় এবং তারপরে আমরা তাকে বাস্তবে রূপদান করতে এগিয়ে চলিএভাবে চিন্তাগুলোই আশা প্রত্যাশার পদচিহ্ন এঁকে দেয়যে পথ ধরে আমাদের সাফল্য সুনিশ্চিত হয়চিন্তাশক্তি একজন সফল মানুষের প্রধান উপজীব্য হয়ে যায় যখন মানুষটি নিজের করণীয় কাজ সম্পর্কে গভীর চিন্তায় মগ্ন থাকেনএটা মানুষের মনে নতুন শক্তি জাগিয়ে তোলে,তাদের কর্তব্য করার প্রেরণা জোগায়আশাবাদী মানুষ দশগুণ উৎসাহের সাথে নিজের কাজ করে থাকেতারা জানে যে তারা অবশ্যই সফল হবেসময়ের সাথেসাথে তাদের আশা আরোও দৃঢ় হয়ে ওঠে,পরে তাই বিশ্বাসের রূপে পরিবর্তিত হয় ফলে সফলতা নিশ্চিত রূপ ধারণ করেএকটু চিন্তা করুনআল্লাহ্ যখন সুখ তৈরি করেছেন,তখন সুখের গ্রাস কি তিনি যোগাবেন না? শিশু জন্ম নেয়ার আগেই আল্লাহ্ মায়ের স্তনে দুধ দিয়ে দেনতিনি যখন হাত বানিয়েছেন,তখন তিনি অবশ্যই কাজ দেবেন,পা দিয়েছেন ফলে চলার রাস্তাও দেবেনএকেই বলে আশাবাদ ! আশাবাদের জোর দেখুন,লোকেরা বলে-‘আল্লাহ্ সবাইকে খালি পেটে জাগায়,কিন্তু খালি পেটে কাউকে শুয়ে দেয়নাসংসারে আজ পর্যন্ত এমন কোন তালা তৈরি হয়নি যার চাবি নেইপৃথিবীতে এমন কোন সমস্যা নেই,যার সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়নাতাহলে ঘাবড়িয়ে লাভ কি? নিরাশাবাদকে করুণ ভাবে আত্মীয় করে তোলার দরকার কি? আশাবাদী ব্যক্তিদের চোখে মুখে সর্বদাই একটা উজ্জ্বলতা লেগে থাকেপ্রকৃতির কোনায় কোনায় তারা সঙ্গীতের অনুররণ শুনতে পায়তারা যে কোন পরিস্থিতিতে আনন্দে থাকেনবৃদু ভাবে আমাদের কাছে ইংরেজি সাহিত্যের বিখ্যাত কবি জন মিল্টন এবং পি.বি. শেলীর উদাহরণ আছেজন মিল্টন মাত্র ৪৪ বছর বয়সেই অন্ধ হয়ে যানউনি জন্ম থেকেই অন্ধ ছিলেন না,ফলে অন্ধত্বের জীবনে উনি অভ্যস্ত ছিলেন নাঅন্ধ হয়ে গেলেও উনি হতাশ হয়ে যাননি এবং উনি বিচলিত হননিতিনিএই পরিস্থিতির মোকাবিলা করেনউনি স্রষ্টার কাছে কোন রকম নালিশওজানাননিউনি ভাবেন,স্রষ্টা তাকে অন্ধ দিয়ে অন্তর্মুখি করে দিয়েছেনযাতে উনি আরোও ভালো কাজ করতে পারেনঅন্য দিকে আছেন পি.বি. শেলীর মত কবিজীবনে তাকে অনেক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীনতা করতে হয়েছিলপ্রত্যেক ব্যক্তি নিজের মত পরিস্থিতির মোকাবিলা করে থাকেন তিনিও তাই করেছিলেন,নিরাশাবাদ তার মধ্যে এমন ভাবে ঘর করে বসেছিল যে তিনি নিজের কবিতার মধ্যে দিয়ে তা ব্যক্ত করতে শুরু করেছিলেনএভাবেই আমরা চিন্তাগুলোকে বাস্তব রূপদানের মাধ্যমে সফলতার পথে এগিয়ে চলিএই গ্রন্থ আমাদেরকে সেই চিন্তাগুলোকে লালন করে এগিয়ে চলতে শেখায় যা আমাদেরকে সফল কল্যাণের পথে পরিচালিত করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেসকলেই গ্রন্থ পাঠে উপকৃত হবেন এই প্রত্যাশা করি

    মোস্তাক আহমাদ

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • আপনি অবশ্যই বিজয়ী হবেন – মোস্তাক আহমাদ

    এই গ্রন্থের মূল কথাঃ

    আপনি অবশ্যই বিজয়ী হবেন। আপনার মমোভাবই ঠিক করে দেয় যে কোন্ পন্থা আপনাকে বিজয় অর্জনের জন্য সহায়তা করবে। আমরা যখন কঠোর মনোবল নিয়ে কাঙিক্ষত লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হই তখন কোন বাধাই আমাদের সাফল্যের গতি রোধ করতে পারে না। আর যারা ভীতু,হীনমন্যতা পোষণকারী তারা কখনও লক্ষ্যে অবিচল থাকতে পারে না। তারা সহজেই ভয়ের কাছে মাথা নত করে এবং সহজেই হাল ছেড়ে দেয়। তারা বিপদ দেখলে কাতর হয় তাই আপনি যদি জীবনে অবশ্যই বিজয়ী হতে চান তবে প্রথমেই আপনাকে ভয় ত্যাগ করতে হবে। ভয়ের অপর নাম মৃত্যু। যে ব্যক্তি দুর্বল ও ভীতু সে জীবনে উন্নতি করতে পারে না। আর ভীতুরা আজীবন কাপুরুষই থেকে যায়। তাই আমার মতে কাপুরুষতাই পাপ আর সাহসিকতাই পুণ্য। বাস্তব ক্ষেত্রে পুণ্য করতে গেলে জীবনের অনেক বাধাকে গুড়িয়ে দিয়ে পথ চলতে হয়। আপনি আপনার প্রয়োজনে কাজ করুন,কখনও লোভে পড়ে কিংবা কারও উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য কিছু করবেন না। আর কখনও কারও ভয়ে ভীত হয়ে জীবনের গতিকে রুদ্ধ করবেন না। সততা ও সাহসিকতার সাথে এগিয়ে চলুন আপনি সত্যিই বিজয়ী হবেন। আপনার জীবনে সাফল্য আসবেই। হেলেন কেলার অন্ধ ও বোবা সত্ত্বেও পড়াশোনা করে বিরাট খ্যাতিমান হয়েছিলেন। সিদ্ধার্থ শর্মা নামে এক অন্ধ ব্যক্তি হিমালয়ের জোংগিলা গিরিশৃঙ্গে যদি উঠতে পারেন তাহলে আপনি সুস্থ সবল হয়ে কেন পারবেন না? বিজয়ের সমস্ত পথ আপনার জন্যে ভালো আছে- আপনি শুধু নির্ভয়ে এগিয়ে চলুন-বিজয় আপনার সুনিশ্চিত।

    – মোস্তাক আহমাদ

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • হাল ছেড়ে না দেয়াই সফলদের গুণাকলি – মোস্তাক আহমাদ

    ভূমিকাঃ আমরা যদি সফল মানুষদের দিকে তাকাই তবে সবার আগে চোখে পড়ে হাল না ছেড়ে লক্ষ্যের দিকে ক্লান্তিহীনভাবে ছুটে চলা। বাস্তব জগতে যারা হাল না ছেড়ে নিরলসভাবে কাজ করে তাদেরই সাফল্য আসে। চেষ্টা করতে থাকুন। লক্ষ্যে পৌছামোর জন্য যে সময় এবং শক্তি আপনি ব্যয় করছেন,তা যথোপযুক্তই হচ্ছে,কিন্তু আপনার যাত্রা যেন মাঝপথে থেমে না যায়। আমরা অনেকেই নানা রকম অজুহাতে হাল ছেড়ে দিই,হাল ছেড়ে দেবার পেছনে যে কতরকম অজুহাতে দেয়া হয় তার সম্পূর্ণ তালিকা প্রস্তুত করা অসম্ভব বলে মনে করছি। এইসব অজুহাত দেখিয়েই লোকে সংগ্রাম করা। থেকে পালিয়ে যায়। আপনিও এর ব্যতিক্রম নন। আমাদের মাঝে অনেকেই সময় আর সুযোগের অপেক্ষায় হাল ছেড়ে দেয়। যারা শুধু সুযোগ খোজে এবং চারদিকে তাকিয়ে দেখে তারা কোন কাজই শেষ করতে পারেন না। যে ঘোড়া গাড়ি টানে,সে লাথি মারতে পারে না। আবার যে ঘোড়া লাথি মারে সে গাড়ি টানতে পারে না। গাড়ি টানাটা দরকার,লাথি মারা নয়। কঠিন শ্রম ছাড়া কোনও সাফল্য নেই। প্রকৃতি পাখিদের খাবার সৃষ্টি করেছে। কিন্তু এগুলি তাদের বাসায় পৌছে দেয়নি। খাবার সংগ্রহের জন্য পাখিদের কঠোর পরিশ্রম করতে হয়। কোন কিছুই সহজে আসে না। জন মিলটন প্রত্যেকদিন ভোর ৪ টেতে উঠতেন,” প্যারাডাইস লষ্ট” লেখার জন্য। ওয়েবস্টারের অভিধান সংকলন করার জন্য ৩৬ বছর লেগেছিল। এমনকি ছোট ছোট কাজেও কঠোর পরিশ্রমের প্রয়োজন হয় এবং ছোট ছোট কাজ বাগাড়ম্বরের থেকে অনেক ভালো। যদি জীবনে সাফল্য লাভ করতে চান,তাহলে অধ্যবসায়ের মাধ্যমে সামনে অগ্রসর হতে হবে। আর অধ্যবসায়ের জন্য প্রয়োজন প্রচুর সময় এবং কাজ করবার ক্ষমতা। রাতারাতি কেউ সাফল্য পেতে পারে না। অনেকদিন ধরে একাগ্র হয়ে পরিশ্রম করলে তবেই সাফল্য লাভ সম্ভব হয়। নিজের লক্ষ্যপথে স্থির থাকতে গেলে অফুরন্ত উদ্যম থাকা একান্ত প্রয়োজন। আপনার অদম্য ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভর করছে সাফল্যের সম্ভাবনা। আপনি জীবনে কী হবেন তা আপনার বুদ্ধির ওপর নির্ভর করে না,নির্ভর করে আপনার শিক্ষাগত যোগ্যতা,পারিবারিক পটভূমিকা,আর্থিক অবস্থা বা সৌভাগ্যের ওপরেও শুধুমাত্র একটি গুণের ওপরে সবকিছু নির্ভর করছে। অধ্যবসায় বা একাগ্রতার সাথে লেগে থাকার অভ্যাস। যদি এই গুণটি আপনার মাঝে থাকে,তাহলে পৃথিবীতে কিছুই আপনার অসাধ্য নয়। আর যদি এই গুণটি না থাকে,তাহলে জানবেন সাফল্য চিরকালই আপনার অসাধ্য হয়ে যাবে। ধরুন,সাফল্য লাভ করবার মতো সব রকম গুণাবলীই আপনার আছে,আপনি চেষ্টাও করছেন। কিন্তু যদি আপনি কাজটা শেষ না করে মাঝপথেই হাল ছেড়ে দেন,তাহলে চেষ্টা ও গুণাবলি দিয়ে আপনার কোন লাভ হবে না। তাই আসুন লক্ষ্যের প্রতি অটুট থেকে জীবনকে সাফল্যমণ্ডিত করে তুলি।

    -মোস্তাক আহমাদ

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • কিভাবে সেরাদের সেরা হওয়া যায় – মোস্তাক আহমাদ

    ভূমিকাঃ আমরা প্রত্যেকেই শ্রেষ্ঠত্বের মুকুট পরতে চাই। সেরাদের সেরা হতে চাই। কিন্তু এর জন্য যে কৌশল,মেধা,বুদ্ধি ও অনুশীলন দরকার তার খোঁজ কজনই বা রাখি। আসুন আমরা সে অনুশীলন,বুদ্ধি,মেধা,দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার সমন্বিত গুণে গুণান্বিত হয়ে সেরাদের সেরা হওয়ার সংগ্রামে যোগ দিই। আমরা জীবনে কতটা শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে পারব তা আমাদেরকেই ঠিক করতে হবে। আপনি যদি প্রকৃতপক্ষেই সমৃদ্ধশীল জীবন ও সাফল্যের শীর্ষে পৌছাতে চান তবে অবশ্যই এই মুহূর্তে একটা সংকল্প গ্রহণ করুন। ইতিবাচক মমোভাব,চিন্তা,পরিকল্পনা আপনার মানসিক অবস্থার পরিবর্তন করে। সীমাহীন আত্মবিশ্বাস জাগায় অসম্ভবকে সম্ভবে পরিণত করার শক্তি দেয়। যদি আপনি নিজেকে ভালো মনে করেন- ভালো কিছু প্রত্যাশা করেন,তবে অবশ্যই আপনি তাই হবেন। আমাদের প্রত্যেকের কাছে প্রতিদিন প্রত্যুষে। খুশি আর আনন্দ বার্তা এসে উপস্থিত হয়। আমরা যদি ইতিবাচক মমোভাবের দ্বারা নিজেদের পরিপূর্ণ করি তবে খুশি ও আনন্দের বার্তা আমাদের আশীর্বাদ জানায়। এর আদলে আমরা নিজেদের পরিচালিত করতে পারি। ইতিবাচক মমোভাব শুধু আপনাকেই নয়- আপনার দ্বারা অপরের মনে। উৎসাহ ও আত্মবিশ্বাস উৎপাদন করে এবং নিজেকে তা উপলব্ধি করতে শেখায়। আত্মবিশ্বাস লোকের মনে নতুন সাহস এবং শক্তি উৎপন্ন করে,ব্যক্তিকে কিছু করার প্রেরণা জোগায়। ফলে তারা প্রায় অসম্ভব কাজকে সম্ভব করার জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে ওঠে। জীবনে যত জটিলতা ও সংঘর্ষই আসুক না কেন সর্বদাই ইতিবাচক মমোভাব নিয়ে চলুন। এর প্রতিক্রিয়া আপনার মনকে আত্মবিশ্বাসে ভরপুর করে- অটল ও অবিচল ব্যক্তিত্বের জন্ম দেয়। জীবনে সফল হওয়ার জন্য আমাদেরকে বিভিন্ন উপায় ও কৌশল অবলম্বন করতে হয়- কঠোর শ্রম ও দৃঢ় সংকল্প ছাড়া আমাদের কোন উদ্দেশ্যই সফল হয় না। এই বইটি বাস্তবতার আলোকে আপনাকে সফল ও সমৃদ্ধশীল জীবনের সন্ধান দেবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।

    -মোস্তাক আহমাদ

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • সাহসিকতাই ব্যক্তিত্বের শ্রেষ্ঠ পুরস্কার – মোস্তাক আহমাদ

    ভূমিকাঃ সাহস হচ্ছে আমাদের ব্যক্তিত্বের সেই গুণ,যা আমাদের ভয়ের বশীভূত না হতে দিয়ে বিরোধিতার সম্মুখীন হতে সাহায্য করেসাহস আমাদের এমন এক শক্তি দেয় যা অসম্ভব বলে মনে হওয়া কাজকেও সম্ভবে পরিণত করেএকজন লোকে তখনই চালকের আসনে বসার যোগ্য হয়,যখন তার সাহস সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা থাকেতুমি তোমার ভবিষ্যৎ নিয়ন্ত্রণে অপারগ হলে অন্য লোকেরা সহজেই তাদের খুশী মত তোমার ভবিষ্যৎ পরিচালনা করবেতুমি যা করছ,ঠিকই করছ এই বিশ্বাস তোমাকে এগিয়ে যেতে হবেযেসব মানুষের সাহস বা ন্যের সম্বন্ধে চিন্তা নেই,তারা এক শশাচনীয় ছবি বিশেষজীবনে সব পরিস্থিতরি সম্মুখীন হবার মত সাহস না থাকলে মানুষ নিজেকে অপূর্ণ মনে করে আর নিজের ওপর শ্রদ্ধা হারায়যখন গঠনমূলক কাজে এর প্রয়োগ হয়,তখন এটা একটা সংঘাতিক অস্ত্রনির্ভীকতা আমাদের সেই ক্ষমতা দেয়,যার ফলে আমরা পক্ষাঘাতগ্রস্থ রোগীর মত না থেকে নিজের মতকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারিসাহসের অভাব আমাদের কর্মক্ষমতাকে নাশ করেআমরা শারীরিক ভাবে হাঁটতে,কথা বলতে,নিঃশ্বাস নিতে পারি বটে,কিন্তু মানসিক ভাবে আমাদের মৃত্যু হয়নির্ভীকতা হচ্ছে নিজের মূল্যগুলো নিয়ে বেঁচে থাকাআমরা যা কাজ করছি,তা যোগ্য কাজএই বিশ্বাসই হচ্ছে নির্ভীকতাএই বিশ্বাসে ভর করে অগ্রসর হওয়াই হচ্ছে সাহসনির্ভীক লোকেরা বিশ্বাস করে যে,তাদের অন্তরে যা আছে,তা বাইরের পরিস্থিতির থেকে শ্রেয়জীবনে কোন লক্ষ্যে পৌছলাম অথবা পৌছতে পারলাম না দুটোর মধ্যে এই পার্থক্যটাই হচ্ছে সাহসসাহস ঝুঁকি নেওয়ার,অজানায় পাড়ি দেওয়ার,আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বাধার বিরোধিতা করার,অপ্রস্তুতকর পরিস্থিতির,সমালোচনার সম্মুখীন হওয়ার দাবী রাখেভয়হীন বেপরোয়া আচরণকে সাহস বলে নাবেপরোয়া আচরণ অনেক সময়ে দম্ভ থেকে জমায়,তাই সেটা গোয়ার্তুমিযথোপযুক্ত কাজ বেছে নেবার ক্ষমতা জ্ঞাননির্ভর হয়কোন অবস্থায় দৃঢ় থাকতে হবে,সাহসসেই জ্ঞান দেয় নির্ভীক ব্যবহার লোকদের অনুপ্রাণিত করে আস্থা জন্মায়অপর দিকে হঠকারিতা মানুষকে অপ্রস্তুত করে,এমনকি বিপদেও ফেলতে পারেগান্ধী মার্টিন লুথার কিং যে সাহস দেখিয়েছিলেন,তার ফলে অন্যান্যরাও,নিজেদের প্রচুর ক্ষতি স্বীকার করেও,অহিংস উপায়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে অনুপ্রাণিত হয়েছিলেনতাঁরা যে আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন,তাতে তাদের অনুগামীরা,তাদের দেশ এবং সমাজ সবিশেষ লাভবান হয়েছিলসাহস একটি মানসিক অবস্থা দুর্বল আর নির্দোষের ওপর উৎপীড়ন আর অত্যাচার করে যে শক্তি আর কর্তৃত্ব ফলামো যায়,তা সাহস নয়,তা হচ্ছে কাপুরুষতাশারীরিক শক্তি বা কর্তৃত্ব সাহস দেয় না,এটা একটা মানসিক শক্তিসাহসের অনুশীলন করা যায়,কিন্তু ভান করা যায় নাএটা শুধুমাত্র একবারের কাজ নয়,এটা একটা স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিক্রিয়াসাহস আমাদের সোজা জীবনের মুখখামুখি দাঁড়িয়ে এগিয়ে এসে দায়িত্ব নেবার শক্তি দেয়তাই আসুন এই গন্থে অধ্যয়নের মাধ্যমে আমরা নিজেদের দুর্বল অবস্থার উন্নয়ন করে সাহসিকতার হাত ধরে সাফল্যের ভিত্তি গড়ে তুলিমোস্তাক আহমাদ

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • সফল্য মানে নিরলস গন্তব্যে ছুটে চলা – মোস্তাক আহমাদ

    ভূমিকা: সফলতা একটি যাত্রাপথ।  এর শেষ নেই।  কোনও এক বিষয়ে সফল হলেই যাত্রা বিরতি হয় না-একজন সফল ব্যক্তি তখন আরেকটি গন্তব্যে নিজেকে স্থির করে নেন এবং নিরলসভাবে সে গন্তব্যে ছুটে চলাই সফলতার মূলমন্ত্র হিসেবে তার কাছে পরিগণিত হয়।  সমস্যার সম্মুখে আমরা কখনো কখনো নিরুত্সহ বা হতাশ হয়ে পড়ি এবং হাল ছেড়ে দিই কিন্তু বিজয়ীদের কখনো মনোবল নষ্ট হয় না।  এই মনোবল নষ্ট হওয়ার জন্য আমাদের প্রয়োজন নিরলসভাবে অধ্যবসায়।  আপনার সাফল্যের শুরু আপনার থেকেই-শেষও আপনার থেকেই।  মোটকথা সাফল্য কামনা করছেন আপনি নিজেই।  সাফল্যের পেছনে ছোটাছুটি করছেন সেও আপনি-কাজেই জীবনে সফলতা কিংবা ব্যর্থতার জন্য আপনিই দায়ী যারা সাফল্যের প্রত্যাশা করেন-তারা প্রথম থেকেই নিজেদেরকে কর্মক্ষেত্রে বিজয়ী হওয়ার জন্য একান্তভাবে তৈরি করার প্রস্তুতি গ্রহণে তৎপর হন এই রকম ইতিবাচক প্রত্যাশার সঙ্গে যখন,ইচ্ছাশক্তি,মেধাশক্তি,কল্পনাশক্তি,উচ্চাকাঙ্ক্ষা: ও বিজয়ী হওয়ার মনোবলের সাথে সাফল্য লাভের সংযোগ ঘটে-তখন সাফল্য লাভের পথে সীমাহীন অগ্রগতি আসে।  আপনার কর্ম প্রেরণাকে শাণিত করার সীমাহীন শক্তি,দৃঢ় মনোবল ও বিজয়ী হওয়ার জন্য নিজেকে উপযুক্ত করে তৈরি করতে-সফলতাই জীবন একটি পর্যায় ক্রমিক অনুশীলন।  এ বই আপনার বুদ্ধি বৃত্তিক শক্তিকে বৃদ্ধি করার একান্ত সাহায্যকারী।  মোটকথা আপনার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যকে সফল করে কীভাবে জীবনে সফল হবেন তার ব্যবহারিক জ্ঞান ও মানসিক শক্তি বৃদ্ধির উপায়ের নাম সফলতাই জীবন।  এই ইতিবাচক ভাবনা-চিন্তা,কর্মপ্রেরণাকে শাণিত করতে এবং ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে জীবনে সফল হওয়ার জন্য নিরলসভাবে কাজ করুন আপনি অবশ্যই সফল হবেন ইনশাআল্লাহ।

     -মোস্তাক আহমাদ

     

    ৳ 60.00৳ 150.00
  • শ্রষ্ঠত্ব লাভের সংগ্রাম – মোস্তাক আহমাদ

    ভূমিকাঃ সংগ্রাম ছাড়া জীবনে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করা যায় না। জগতের প্রতিটি শ্রেষ্ঠ মানুষের শ্রেষ্ঠত্বের পেছনে রয়েছে কঠোর সংগ্রামের ইতিহাস। জীবন সংগ্রামে জয় অথবা পরাজয় দু’য়েরই সম্ভাবনা আছে। কোন জয় সংগ্রাম ছাড়া আসে। না। আপনি যদি শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে চান তাহলে কাজের উৎকর্ষের জন্য চেষ্টা করা উচিত;কিন্তু সম্পূর্ণরূপে নিখুঁত হওয়ার জন্য নয়। যারা সম্পূর্ণরূপে নিখুঁত হওয়ার চেষ্টা করে যায় তারা মানসিক রিগ্রস্ত। যারা উৎকর্ষের জন্য চেষ্টা করে তারাই অগ্রগতির পথে যায়। প্রয়োজন হলো সামান্য একটু সুবিধা বা প্রাধান্য পাওয়া। ঘোড় দৌড়ে বিজয়ী ঘোড়া পাঁচ ও একের অনুপাতে বা দশ ও একের অনুপাতে জেতে,তার অর্থ কি এই যে বিজয়ী ঘোড়াটি পরাজিত ঘোড়াটি থেকে পাঁচ বা দশগুণ বেশি জোরে ছোটে? নিশ্চয়ই না,ঘোড়াটি হয়ত একের ভগ্নাংশের দূরত্বে জিতে পাঁচগুণ বা দশগুণ বেশি পুরস্কার লাভ করে,অন্যগুলি কিছু পায় না। এটা কি সুবিচার? হয়ত নয় কিন্তু কেউ তার তোয়াক্কা করে না। এইটাই এই খেলার নিয়ম এবং সেই জন্যই ঘোড় দৌড়ে ঘোড়া দৌড়ায়। আমাদের জীবনের ক্ষেত্রেও এই কথা সত্য। সফল ব্যক্তিরা অসফলদের থেকেও দশগুণ ভালো নয়,তারা হয়ত ভগ্নাংশ মাত্র ভালো কিন্তু তাদের পুরস্কার দশগুণের থেকেও বেশি। তাই আমাদের কোন একটি বিশেষ ক্ষেত্রে শতকরা এক হাজার ভাগ উন্নতি করার দরকার নেই। যা করা দরকার তাহলে এক হাজারটি বিভিন্ন ক্ষেত্রে এক শতাংশ উন্নতি করা। এটা আরও সহজ। এখানেই হল বিজয়ীর প্রাধান গুণাবলি। কোন কাজ সুসম্পন্ন হলে এবং অভীষ্ট সিদ্ধি হলে যে অনুভূতি হয়,সেই অনুভূতিই সাফল্যের মাপকাঠি। জীবনে আমাদের অবস্থান দিয়ে সাফল্য বিচার হয় না। সেই অবস্থানে পৌঁছতে গিয়ে যে সমস্ত বাধা অতিক্রম করতে হয় সেই বাধা অতিক্রমের ক্ষমতা দিয়েই সাফল্যের পরিমাপ করা হয়। আমরা অপরের তুলনায় কীভাবে কাজ করছি তাই দিয়ে সাফল্য বিচার করা যায় না। আমরা আমাদের শক্তি ও সামর্থ্যের কতটা ব্যবহার করতে পেরেছি তাই দিয়েই সাফল্য নির্ধারিত হয়। যারা কোন বাধা বিপত্তির সম্মুখীন হয়নি তাদের থেকে যারা বাধা অতিক্রম করে এসেছে তাদের ক্ষমতা এবং আত্মবিশ্বাস অনেক বেশি। সমস্যার সম্মুখে আমরা কখমো কখমো নিরুৎসাহ বা হতাশ হয়ে পড়ি কিন্তু বিজয়ীদের কখমো মমোবল নষ্ট হয় না। এই মমোবল নষ্ট না হওয়ার জন্য প্রয়োজন অধ্যবসায়। ভেবে চিন্তে কাজ করা জরুরি জীবনে সবকিছু এক রকম ভাবে করা যায়। সবকিছু বুদ্ধি-বিবেচনায় করা উচিত। বুদ্ধি ও বিবেচনাবোধ বর্জিত কর্মফল বিপজ্জনক। মনে রাখবেন,শ্রেষ্ঠত্ব লাভের জন্য আপনার ভাবনা-চিন্ত গুলোকেও উচ্চ স্তরে নিয়ে যেতে হবে। আর সংগ্রাম ছাড়া আপনার এই উচ্চাশা কখমোই পূরণ হবার নয়। তাই আসুন আজ থেকেই শুরু হয়ে যাক আপনার আমার জীবনের শ্রেষ্ঠত্ব লাভের সংগ্রাম।

    -মোস্তাক আহমদ

    ৳ 60.00৳ 150.00

Main Menu